স্লো মোশন কিং

ফ্রিজে থাকতো অন্তর্বাস! স্লো মোশন কিং এর মন্তব্যে হতবাক নেটিজেনরা

রাঘব এর ডায়লগ এবং কমিক টাইমিং  সত্যি অনুরাগীদের  মনে দাগ কেটে গেছে

বর্তমানে নেটপাড়ায়  বহুল   চর্চিত  ‘দ্যা ব্যাড্স অফ বলিউড’ . আরিয়ান খানের এই শো ইতিমধ্যেই তোলপাড় করে দিয়েছে নেটদুনিয়ে।  এই শোতে রাঘব জুয়েল এর অভিনয় মন কেড়ে নিয়েছে দর্শকদের। শোতে ইমরান হাসমির ‘কাহো  না কাহো’ গানটি গাওয়ার মজার  মূহর্তটি  আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। রাঘব এর ডায়লগ এবং কমিক টাইমিং  সত্যি অনুরাগীদের  মনে দাগ কেটে গেছে।   ডান্স ইন্ডিয়া  ডান্সে ‘স্লো মোশন কিং’ নাম খ্যাতি অর্জন থেকে শুরু করে, তাঁর বলিউড যাত্রা  অনুপ্রাণিত করে যুবসমাজকে।  ইতিমধ্যেই বলিউডে  বেশকিছু  সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। তবে তিনি জানিয়েছেন  তাঁর দ্যা ব্যাড্স অফ বলিউড’,  এর অভিজ্ঞতা একেবারে ভিন্ন।   

আরও পড়ুন:

অতীতের সংগ্রামের  স্মৃতিচারণ করলেন  রাঘব  জুয়েল।   

একটি টকশোতে রাঘব তার মুম্বাইতে   সংগ্রাম এর কথা খুলে বলেন। তিনি বলেন,  ‘আমি যখন মুম্বাইতে  আসি, তখন আমার কিছু ছিল না।  কিন্তু সেই সময়েও  আমি মনোবল  হারিয়ে ফেলিনি, উপভোগ করেছি।  তিনি আরো বলেন,  আমরা একঘরে দশ জন থাকতাম।  ফ্রিজ কাজ করতো না তাই সেটাকে আলমারি হিসেবে অন্তর্বাস রাখার জন্য ব্যবহার করতাম।  কেউ যদি ভুল করেও খুলে ফেলতো হতবাক হয়ে যেত।  রাঘব অবশ্য সেসব দিনের কথা খুব মজা করেই দর্শকদের জানান। মুম্বাইতে এসে সে কি কোনো বিপাকে পড়েছিল, বা অপ্রস্তুতবোধ করতো জানতে চাইলে  রাঘব বলেন, ‘আমি খুব আত্ববিশ্বাসী’ . যদি দশ জনও ইংরেজিতে কথা বলে, তবুও আমি  হিন্দিতে বা উর্দুতে কথা বলতে পারব। তিনি বলেন, আমার সবাই সদয় তাই আমি কাজ পাচ্ছি।  আগে অনেক প্রযোজকরাই তাদের ছবিতে কাস্ট  করতে চাইতো না, তাঁদের শুভকামনা জানতাম।  আমার আত্ববিশ্বাস দেখে তাঁরা অবাক হয়ে যেতেন। 

পনেরো বছরের পরিশ্রম ‘দ্যা ব্যাড্স অফ বলিউড’

২০১১  সালে রাঘব দেরাদুন ছেড়ে মুম্বাই আসেন। ডান্স ইন্ডিয়া ডান্সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে দেশব্যাপী পরিচিতি  অর্জন এরপর, রাঘব ABCD২  দিয়ে অভিনয় পা রাখেন।  পরে তিনি নবাবজাদে, স্ট্রিট ডান্সার ৩D এবং  সালমান খানের কিসিকা ভাই কিসিকি জান এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেন।  ২০২৫  সালে,   আরিয়ান খান এর পরিচালিনায়  প্রথম ছবি ‘দ্যা ব্যাড্স  অফ বলিউড’-এ  অভিনয় এর মধ্যে দিয়ে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেন। যা তার  সিনেমা ক্যরিয়ার এ নতুন মোর এনে দেয়।  রাঘবকে  তাঁর এই সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটা তাঁর পনেরো বছরের  পরিশ্রম এর ফল         

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *