‘ধুরন্ধর’ রণবী
রণবীর সিং এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী সারা অর্জুনের মধ্যে দেখা গিয়েছে রোম্যান্সের ঝলক
সদ্যই মুক্তি পেয়েছে ‘ধুরন্ধর’ এর মূল ঝলক । তারপর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই সিনেমা। রণবীর সিংহ থেকে অর্জুন রামপাল, প্রত্যেককেই দেখা গিয়েছে একেবারে নতুন অবতারে। এই ছবিতে যেমন রয়েছে জমজমাট অ্যাকশন, তেমনই রণবীর সিং এবং তাঁর সহ-অভিনেত্রী সারা অর্জুনের মধ্যে দেখা গিয়েছে রোম্যান্সের ঝলক। আর এই সূত্রেই বিতর্কের জন্ম নেটপাড়ায়। জুলাই মাসে ছবির ফার্স্ট লুক প্রকাশের পর থেকেই রণবীর এবং সারার মধ্যে ২০ বছরের বয়সের ব্যবধান নিয়ে চলে বিতর্ক। রণবীরের বয়স এখন ৪০। উল্টো দিকে সারার বয়স ২০। পর্দায় তাঁদের প্রেমের দৃশ্যে মাতোয়ারা হতে দেখা যাবে। নিন্দকেরা কটাক্ষ করেছেন, “হাঁটুর বয়সি নায়িকাদের সঙ্গে জুটি বাঁধা কি বলিউডে অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে!” সমালোচকদের একাংশ আবার এমন কাস্টিং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অবশেষে, ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা রণবীর সিং।
রণবীর বলেন, “এই ছবিতে সারা প্রকাণ্ড চরিত্র। কিছু মানুষ এমনই। বাচ্চা হলেও তাঁরা প্রকাণ্ড।” হলিউড অভিনেত্রী ডাকোটা ফ্যানিং-এর সঙ্গেও সারা অর্জুনকে তুলনা করেছেন রণবীর। এখানেই শেষ নয়। রণবীর তাঁর নায়িকাকে নিয়ে বলতে থাকেন, “ও যেন এটা করার জন্যই জন্মেছে। ওর অভিনয় দেখলে মনে হবে, এর আগে ও ৫০টি ছবিতে অভিনয় করে ফেলেছে। মানুষ ও শিল্পী হিসাবে ও খুবই উঁচু মানের।
আমি যে অসাধারণ অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছি, তাঁদের মধ্যে ও একজন। ওর জন্য আমাকেও দেখতে ভাল লেগেছে।” সারা-র পূর্বের অভিনয় নিয়েও কথা বলেন এবং তাঁর অভিজ্ঞতার প্রশংসা করেন রণবীর। রণবীর সিং-এর এই মন্তব্য স্পষ্ট করে দেয় যে, তিনি সারার অভিনয় দক্ষতার ওপর সম্পূর্ণ ভরসা রাখেন এবং আশা করেন যে, তাঁর প্রতিভা বয়সের ব্যবধান সংক্রান্ত সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণী চলচ্চিত্রজগতে সারা অর্জুন অতি পরিচিত নাম। শিশুশিল্পী হিসাবে জনপ্রিয় ছিলেন একসময়। হিন্দি ছবিতেও কাজ করেছেন সারা। তা ছাড়া সারার আরও একটি পরিচয় রয়েছে। তিনি অভিনেতা জয় অর্জুনের কন্যা। ‘সিক্রেট সুপারস্টার’, ‘থালাইভি’, ‘লভ হস্টেল’ ও ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’র মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন সারা।
প্রসঙ্গত, ১৮ নভেম্বর মুক্তি পেলো রণবীর সিংহ অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ এর ঝলক। আদিত্য ধর পরিচালিত এই ছবির ট্রেলারের শুরুতে দেখা যাচ্ছে এক ব্যক্তি শুয়ে রয়েছে, তাঁর মুখ থেকে গলা পর্যন্ত একাধিক সূঁচ ফোটানো রয়েছে।
সূঁচ ফোটানো রয়েছে পায়েও। আর তাঁকে এই যন্ত্রণাদায়ক ট্রিটমেন্ট দিচ্ছে সাক্ষাৎ মৃত্যু, আইএসআই মেজর ইকবাল ওরফে অর্জুন রামপাল। ভারতের তরফে উচ্চপদস্থ কর্তা হিসেবে দেখা মিলবে আর মাধবনের। তাঁর চরিত্রের নাম অজয় সান্যাল। তিনিই বুদ্ধি দেন পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদকে শেষ করতে হলে সেটার শিকড় পর্যন্ত যেতে হবে। পাকিস্তান কী ভাবছে, কী করছে সেই সমস্ত খবর দেবে সেই চর, যে পাকিস্তানে ঢুকবে। আরও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় নজর কাড়বেন অক্ষয় খান্না। এসপি চৌধুরী আসলাম হয়ে ধরা দেবেন সঞ্জয় দত্ত। আগামী ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে এই অ্যাকশন-থ্রিলার।